গৌরবের ৬৮ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

source_logo
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on whatsapp

শিক্ষা নগরী হিসেবে রাজশাহীর নাম সমগ্র দেশব্যাপী সমাদৃত৷ ব্রিটিশ যুগে রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষাদীক্ষা উন্নয়নের জন্য ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী কলেজ৷ সে সময়ে রাজশাহী কলেজে আইন বিভাগসহ পোস্ট গ্রাজুয়েট শ্রেণী চালু করা হয়৷ কিন্ত এর কিছুদিন পরেই বন্ধ হয়ে যায় এসব কার্যক্রম৷ সে সময়েই রাজশাহীতে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজন অনুভূত হয়৷ ভাষা আন্দোলনের কিছুদিন আগ থেকেই মূলত রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু হয়৷

 

 

প্রথম দাবি অবশ্য ওঠে রাজশাহী কলেজের প্রাঙ্গন থেকে৷ ১৯৫২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শহরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গনে সমবেত হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ পাস করার দাবি তোলে৷ রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য সর্বপ্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী শহরের ভুবন মোহন পার্কে৷ বিশ্ববিদ্যালয় দাবীর পক্ষে যাদের নাম না বললেই নয় তারা হলেন- ইদ্রিস আহমেদ এমএলএ, প্রভাষ চন্দ্র লাহিড়ী, খোরশেদ আলম, আনসার আলী, আব্দুল জব্বার ও পূর্ববঙ্গীয় আইনসভার সদস্য প্রখ্যাত আইনজীবী মাদার বখশ প্রমূখ ৷ বিভিন্ন চড়াই উতরাই পার হয়ে অবশেষে ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ প্রাদেশিক আইনসভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আইন পাশ হয়।

 

 

 

নতুন উপাচার্য প্রফেসর ইতরাত হোসেন জুবেরীকে সঙ্গে নিয়ে মাদার বখশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন৷ এ দুজনকে যুগ্ম সম্পাদক করে মোট ৬৪ সদস্য বিশিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়৷ এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার এম এ খুরশীদ৷ একই বছর অর্থাৎ ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রফেসর ইতরাত হোসেন জুবেরীকে উপাচার্য নিয়োগ করে বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে ১৬১ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম ক্লাস শুরু হয় রাজশাহী কলেজে৷ উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের দফতর প্রতিষ্ঠা করা হয় পদ্মার তীরের বড়কুঠি নামে পরিচিত ঐতিহাসিক রেশম কুঠি বা নীল কুঠির উপর তলায়৷ বড়কুঠির কাছেই তৎকালীন ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর হিন্দু একাডেমিতে চিকিৎসাকেন্দ্র ও পাঠাগার তেরি করা হয়৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতর স্থাপন করা হয় জমিদার কুঞ্জমোহন মৈত্রের বাড়িতে৷ বড়কুঠি পাড়ার মাতৃধাম এ স্থাপন করা হয় কলেজ পরিদর্শক দফতর৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রেজিস্ট্রার নিযুক্ত হন ওসমান গনি ও প্রথম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিযুক্ত হন অধ্যাপক আব্দুল করিম৷ শহরের বিভিন্ন স্থানে ভাড়া করা বাড়িতে গড়ে ওঠে ছাত্রাবাস৷ রাজশাহী কলেজ সংলগ্ন ফুলার হোস্টেলকে রুপান্তরিত করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস হিসেবে৷ বড়কুঠি এলাকার লালকুঠি ভবন ও আরেকটি ভাড়া করা ভবনে ছাত্রী নিবাস স্থাপন করা হয়৷

 

 

১৯৫৮ সালে বর্তমান ক্যাম্পাসে দালান-কোঠা ও রাস্তাঘাট নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৯৬৪ সালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সহো সকল অফিস ও বিভাগ মতিহারের নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়৷ এই ক্যাম্পাসটি গড়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়ান স্থপতি ড. সোয়ানি টমাসের স্থাপত্য পরিকল্পনায়৷ বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ খ্যাত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশে রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে ৭৫৩ একর জমির উপর অবস্থিত৷

 

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকে রয়েছে একটি বৃত্ত। যা বিশ্বের প্রতীক। একটি উন্মুক্ত গ্রন্থ যা জ্ঞানের প্রতীক এবং আকাশ দৃষ্টি থেকে শাপলা ফুল সৌন্দর্য, পবিত্রতা ও জাতীয় প্রতীক। এটি সূর্য অর্থেও প্রাণ ও শক্তির উৎস। প্রতীকের রং বৃত্ত ও মূল গ্রন্থ কোবাল্ট ব্রু। তা আকাশ, নদী ও উদারতার রং। গ্রন্থের বহিঃরেখা রক্তলাল, জাতীয় পতাকার রং। গ্রন্থের মধ্যরেখা সোনালি, সোনার মতোই মূল্যবান শিক্ষার গুণগত মূল্য। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রতীকের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করে নকশা আহ্বান করা হয়। শিল্পী গোলাম সারোয়ারের আঁকা মূল নকশা নির্বাচনের পর কিছুটা পরিবর্তন করে বর্তমান প্রতীকে রূপ দেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ও শিল্পী হাশেম খান।

 

জন্মলগ্ন থেকে জাতীয় প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রসমাজ অংশগ্রহণ করে আসছে। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রক্টর এবং রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর শামসুজ্জোহা শান্তিরক্ষার দায়িত্ব পালনকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হলে আইয়ূব খানের পতন ত্বরান্বিত হয়। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষক (গণিত বিভাগের হবিবুর রহমান, মনোবিজ্ঞান বিভাগের মীর আব্দুল কাইয়ূম এবং ভাষা বিভাগের সুখরঞ্জন সমাদ্দার) এবং ৫ জন সহায়ক কর্মচারী, ১০ জন সাধারণ কর্মচারী ও ৯ জন ছাত্র সহো নাম না জানা আরও অনেকে শহীদ হন।

বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি অনুষদ।
জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ সম্প্রতি ২টি অনুষদে বিভক্ত হয়েছে। মনোবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি এবং চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান নিয়ে গঠিত হয়েছে ফ্যাকাল্টি অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস। ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ নিয়ে গঠিত হয়েছে ফ্যাকাল্টি অব জিও সায়েন্সেস। গত ২৭.০৬.২০২০ তারিখে সিন্ডিকেট সভায় আরও ২টি অনুষদ অনুমোদিত হয়েছে। কৃষি অনুষদ থেকে ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস এবং ফিশারীজ অনুষদ সৃষ্টি হয়েছে। ৬টি ইনস্টিটিউটসহ মোট ৫৮টি বিভাগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ক্যাম্পাসের উত্তর পূর্ব দিক জুড়ে রয়েছে ছাত্রদের জন্য ১১টি আবাসিক হল৷ ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ৬টি আবাসিক হল যা ক্যাম্পাসের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত৷ পূর্ব দিকে গবেষকদের জন্য রয়েছে একটি ডরমিটরি। পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে রয়েছে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক এলাকা৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা এদেশের সর্বপ্রথম স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। আরো রয়েছে গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার ও শহীদ মিনার কমপ্লেক্স সাথে উন্মুক্ত মঞ্চ।
মুক্তিযুদ্ধের স্মারক সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি সিনেট ভবনের দক্ষিণ চত্বরে। প্রয়াত শিল্পী নিতুন কুণ্ডুর তৈরি এই ভাস্কর্যের পাদদেশে একটি মুক্ত মঞ্চ আছে। মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ গণিত বিভাগের শিক্ষক হবিবুর রহমান স্মরণে ‘বিদ্যার্ঘ’ স্মারকসৌধটি নির্মিত হয়। এটি শহীদ হবিবুর রহমান হল চত্বরে অবস্থিত ৷ উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ডঃ শামসুজ্জোহা স্মরণে নির্মিত ‘স্ফুলিঙ্গ’ ভাস্কর্যটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বপাশে শহীদ শামসুজ্জোহা হল প্রাঙ্গণে অবস্থিত৷ এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে ৭১এর শহীদদের স্মরণে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ অবস্থিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের শিক্ষা সহায়ক হিসেবে এখানে রয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, বিভাগীয় সেমিনার লাইব্রেরী, বিভাগীয় কম্পিউটার ল্যাব, ইন্সটিটিউট ও অনুষদ লাইব্রেরী, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ও লাইব্রেরী এবং কম্পিউটার সেন্টার। সংস্কৃতি চর্চার জন্য রয়েছে শিক্ষক-ছাত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, রাকসু এবং খেলাধুলার জন্য স্টেডিয়াম, জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল সহো প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেট পেরিয়ে বৃক্ষশোভিত গোল চত্বর। এখানে শায়িত ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা। সামনেই প্রশাসন ভবন। এছাড়া রয়েছে প্রাশাসন ভবন ২, সিনেট ভবন, ডীনস কমপ্লেক্স, জুবেরী ভবন, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, পরিবহন সেক্টর, ছাপা খানা, প্রেট্রল পাম্প, দুইটি ব্যাংক, বিদ্যুৎ শাখা, স্টুয়ার্ট শাখা, ভিসি ও প্রোভিসির আবাসিক ভবন, কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন ইত্যাদি৷ একাডেমিক ভবনগুলি হলো- রবীন্দ্র ঠাকুর একাডেমিক ভবন, ড.মুহাম্মাদ শহিদুল্লাহ একাডেমিক ভবন, মমতাজউদ্দিন কলা ভবন,
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবন(১ম বিজ্ঞান ভবন), ড. মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা একাডেমিক ভবন(২য় বিজ্ঞান ভবন), স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন(৩য় বিজ্ঞান ভবন), ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া একাডেমিক ভবন (৪র্থ বিজ্ঞান ভবন), শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন একাডেমিক ভবন(চারুকলা অনুষদ),
কৃষি অনুষদ ভবন, নারিকেলবাড়িয়া ক্যাম্পাস ইত্যাদি৷

জ্ঞানের বিচিত্র শাখায় উচ্চতর গবেষণা ও পরিচর্যার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি ইনস্টিটিউট শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এগুলো হচ্ছে- ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (১৯৭৪), ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস (১৯৮৯), ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স (২০০০), ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (২০০০), ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (২০০০) এবং ইনস্টিটিউট অব ইংলিশ এন্ড আদার ল্যাঙ্গুয়েজেস (২০১৫)। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেল এবং সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন টিচিং এন্ড লার্নিং এই প্রতিষ্ঠান দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সংযুক্তের সংখ্যা শিক্ষক-১২২১ জন (প্রফেসর ৬০৪, সহযোগী ২৯৭, সহকারী ২৩০, প্রভাষক ৯০ জন), অফিসার-৮০৫ জন, সহায়ক কর্মচারী-৭১৪ জন, সাধারণ কর্মচারী-১২২৯ জন৷ বর্তমানে সকল বিভাগে বিভিন্ন বর্ষে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৮ হাজার ৩০০ জন এবং বিদেশী শিক্ষার্থী ৫৮ জন। প্রতিষ্ঠার পর গত ৬৮ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২,৬৫০ জন শিক্ষার্থী উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১,৯৪৬ জনকে পিএইচডি এবং ৭০৪ জনকে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হয় (২০২০ সালের ৬ জুলাই পর্যন্ত)।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশ্বমানের যেসব ডিগ্রী প্রদান করা হয় তা হলো-
স্নাতক (অনার্স): বিএ, বিএফএ, বিপিএ, বিএসসি, বিফার্ম, এলএলবি, বিবিএ, বিএসএস, বিএসসি এজি, বিএসসি ফিশারীজ।
স্নাতক: বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি, বিএসসি ইন নার্সিং, বিএসসি ( পোস্ট বেসিক) নার্সিং/পাবলিল হেলথ নার্সিং, বিএসসি ইন মেডিকেল টেকনোলজি ( ল্যাবরেটরি/ডেন্টাল)।
স্নাতকোত্তর : এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, এম ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএ, এমএফএ, এমপিএ, এমএসসি, এমফার্ম, এলএলএম, এমবিএ, এমএসএস, এমএস এজি, এমএস ফিশারীজ, এমপিএস।
বৃত্তিমূলক: এমবিবিএস, বিডিএস, ডিভিএম।
স্নাতকোত্তর (চিকিৎসা) : এমফিল, এমএস, এমডি, এমপিএইচ, ডিপ্লোমা।
উচ্চতর : এমফিল, পিএইচডি।
অন্যান্য : সার্টিফিকেট ইন ল্যাংগুয়েজেস, সিনিয়র সার্টিফিকেট ইন ল্যাংগুয়েজেস, পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জেনারেল সেরিকালচার, পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন।

আজ ৬ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮তম জন্মদিন৷ এই দিনকে ঘিরে ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল সাজে৷ কিন্তু কোভিড-১৯ এর কারনে গত ১৮ মার্চ ২০২০ থেকে ক্যাম্পাস দীর্ঘদিন বন্ধ৷ যাদের জন্য এই ক্যাম্পাস জীবন্ত আজ সেই ছাত্র-ছাত্রীরা সেখানে অনুপস্থিত৷ পরম করুণাময়ের দয়ায় সংকট কাটিয়ে আবার প্রিয় মতিহারের সবুজ চত্বর শিক্ষার্থীর পদচারণায় প্রাণ ফিরে পাবে এই প্রত্যাশা করি৷
.
ভাস্কর সরকার

Explore More Districts