ওষুধ কেনার অজুহাত, পাওয়া গেল জুয়ার আস্তানায় | দৈনিক আজাদী

Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on whatsapp




সোমবার রাত আড়াইটা। নগরীর চৌমুহনী নাজিরপুল কলাবাগান এলাকায় দুই যুবককে দেখতে পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ এত রাতে বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চায়। তারা বলেন, তারা দুই ভাই। তাদের মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই ওষুধ কিনতে বের হয়েছেন। অসুস্থ মায়ের কথা বলায় তাদের যেতে দেয় টহল পুলিশ। কিন্তু অফিসারের সন্দেহ হয়। ওষুধ কেনার জন্য দুই ভাই কেন বের হবে? একজন মায়ের পাশে থাকবে, অন্যজন ওষুধের জন্য বের হবে। এটাই তো স্বাভাবিক বিষয়। তাদের অনুসরণ করে পুলিশ। তারা দেখে ওষুধ কেনার কথাটা ছিল অজুহাত। ওই দুই যুবক আসলে গেছেন জুয়া খেলতে। অবশেষে জুয়ার আসর থেকে দুই যুবকসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নগরীর ডবলমুরিং থানার চৌমুহনী নাজিরপুল কলাবাগান গলির ভেতরে জনৈক শাহ আলমের আলমারি কারখানার পেছনে জুয়ার আসর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ৮ জন হলেন মান্নান (২৭), জাফর (৫৫), করিম (৩২), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), তাজুল ইসলাম (৬০), আলমগীর (৪৭), কামাল (৩৮) ও সুমন (২৯)। ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন আজাদীকে বলেন, গ্রেপ্তার ৮ জনই নিম্নআয়ের লোক। তাদের মধ্যে রিকশা ও ভ্যানগাড়ি চালক, দোকান কর্মচারী ও দিনমজুর আছে। প্রত্যেকেরই দৈনিক আয় ৩০০ থেকে ৫০০। তারা আয় করেই এখানে বসে জুয়া খেলে। লকডাউনে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকায় তাদের কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। তাই ওষুধ কেনার অজুহাতে জুয়া খেলতে বেরিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। তারা নাজিরপুল এলাকায় বিভিন্ন কলোনিতে থাকে। ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম তাস ও নগদ ৩ হাজার টাকা উদ্ধারের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Explore More Districts